এফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট ব্যবহার করে অন্য কোম্পানীর ওয়েবসাইটের প্রচার করা এবং বিনিময়ে কমিশন পাওয়া। এই কমিশনের পদ্ধতি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। সবচেয়ে সাধারন পদ্ধতি হচ্ছে আপনার ওয়েব সাইট থেকে বিজ্ঞাপন দেখে যদি কেউ সেই পন্য কেনে তাহলে। যেমন ধরুন আপনার সাইটে বইয়ের তথ্যের সাথে আমাজনের লিংক রয়েছে। যদি কোন ভিজিটর সেই লিংকে ক্লিক করে আমাজনে যায় এবং সেই পণ্য কেনে তাহলে আপনি বিক্রির ওপর কমিশন পাবেন। আপনি নিশ্চয়ই জানেন আমাজন বিক্রি করে না এমন কোন পন্য নেই।
বিক্রি হওয়া ছাড়াও অন্য ওয়েবসাইটের বিজ্ঞাপনরাখলে সেই লিংকের ওপর ভিজিটর ক্লিক করলে সেকারনেও অর্থ পেতে পারেন। তাদের কাছে এর অর্থ, আপনি তাদের সাইটে ভিজিটর পাঠাচ্ছেন। তাদের ব্যবসায় সহযোগিতা করছেন।
ইন্টারনেটে ব্যবসা করে এমন অধিকাংশ বড় কোম্পানী বিক্রি বাড়ানোর জন্য এফিলিয়েটেড মার্কেটিং পদ্ধতি ব্যবহার করে। যদিও তারা এবিষয়ে সরাসরি প্রচার করে না। সাধারনভাবে তাদের ওয়েবসাইটের নিচের দিকে এবিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়। সেখানেAffiliate Program, Affiliatesঅথবা এধরনের কিছু লেখা থাকে।সেখানে ক্লিক করে এফিলিয়েট রেজিষ্ট্রেশন পেজ পাওয়া যাবে।যেমন উদাহরনের ছবিতে বিশ্বখ্যাত খুচরা বিক্রেতা bestbuy.comএর সাইটের নিচের অংশ দেখুন।
রেজিষ্টেশন পেজে আপনার নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার, সাইটের তথ্য ইত্যাদি দেবেন। এগুলি দেয়ার পর তাদের অনুমোদনের জন্য কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হতে পারে। প্রায় সব কোম্পানীর এফিলিয়েট প্রোগ্রামের পদ্ধতি মোটামুটি একই।
একটি একটি করে কোম্পানীর এফিলিয়েট প্রোগ্রামে অংশ না নিয়ে এফিলিয়েট নেওয়ার্কেও অংশ নেয়া যায়। এজন্য আপনাকে সেই নেটওয়ার্কের সদস্য হতে হয়, একইভাবে তথ্য দিতে হয়। অনুমোদন হয়ে গেলে আপনি বিভিন্ন কোম্পানীর এফিলিয়েশনের জন্য চেষ্টা করতে পারেন।Commission Junctionএধরনের একটি জনপ্রিয় নেটওয়ার্ক।
ইন্টারনেটে আয় করার অন্যান্য পদ্ধতির সাথে এফিলিয়েট মার্কেটিং যোগ করে আয় বাড়াতে পারেন।
- Blogger Comment
- Facebook Comment
Subscribe to:
Post Comments
(
Atom
)
0 comments:
Post a Comment