১. সাধক লালন ফকির : ধারনা করা হয় কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার
চাঁপড়া ইউনিয়নের ভাঁড়রা গ্রামে তার জন্ম আনুমানিক জন্ম -১৭৭২ ইং, মৃত্যু- ১৮৯০ ইং।
তিনি তাঁর বাউল গানের জন্য বিখ্যাত। তাঁর বাঁধা মরমী গানগুলো আজ সারা বিশ্বে সমাদৃত।
.
২.প্যারী সুন্দরী: মিরপুর উপজেলার সদরপুরের অধিবাসী। জন্ম-১৮০০, মৃত্যু-১৮৭০। নীলকর টমাস আইভান কেনির কৃষকদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে কৃষক আন্দোলন করেন।
.
৩. কাঙাল হরিনাথ মজুমদার: জন্ম কুমারখালি পৌর এলাকার কুণ্ডুপাড়ায় ১৮৩৩ ও মৃত্যু-১৮৯৬ । একাধারে সাময়িক পত্রসেবী , সমাজ বিপবী ও বাউল কবি ছিলেন। তাঁর রচিত বিজয়বসন্ত বাংলা ভাষা সাহিত্যের উল্লখযোগ্য গ্রন্থ।
.
৪. মোহিনী মোহন চক্রবর্তী: কুমারখালি এলঙ্গী গ্রামেজন্ম-১৮৩৮ও মৃত্যু-১৯২১। তিনি একাধারে চাকুরীজীবি ও ব্যবসায়ী ছিলেন । তিনি চক্রবর্তী এন্ড সন্স নামে পূর্ববাংলার সর্ববৃহৎ কাপড়ের কল নির্মান করেন।
.
৫.গগন হরকরা: অনুমান করা হয় কুমারখালির শিলাইদহের গোবরখালী কসবা গ্রামে তার জন্ম। আনুমানিক জন্ম-১৮৪৫ মৃত্যু -১৯১০। ডাকহরকরা ও পিওন হওয়া সত্বেও গানে পারদর্শী ছিলেন। তার লিখিত ‘আমি কোথায় পাব তারে ,আমার মনের মানুষ যেরে’ গানটির আঙ্গীক ও সুরের অনুসরনে রবীন্দ্রনাথ জাতীয় সঙ্গীত রচনা করেন।
.
৬.মীর মশাররফ হোসেন: কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার চাঁপড়া ইউনিয়নের লাহিনীপাড়া গ্রামে তাঁর জন্ম । জন্ম-১৮৪৭,মৃত্যু- ১৯১১। বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান অনসীকার্য। তাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় গ্রন্থ ‘‘বিষাদ সিন্ধু’’।
.
৭.অক্ষয় কুমার মৈত্রেয়: মিরপুর থানার শিমুলিয়া গ্রামেজন্ম-১৮৬১, মৃত্যু-১৯৩০। ইতিহাসবিদ,আইনজীবি ও সাহিত্যিক। তাঁর আলোচিত দু’টি গ্রন্থ হচ্ছে সিরাজদ্দৌলা ও মীর কাশিম। বিজ্ঞান সম্মত প্রণালীতে বাংলা ভাষায় ইতিহাস রচনায় পথিকৃত।
.
৮.যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় ওরফে বাঘা যতীন: কুমারখালি উপজেলার কয়া গ্রামেজন্ম-১৮৭৯, মৃত্যু-১৯১৫। দেশকে ইংরেজের কবল থেকে মুক্ত করতে এই স্বদেশী নেতা সশস্ত্র সংগ্রামের পরিকল্পনা করেন।
.
৯.ড. রাধা বিনোদ পাল: কুষ্টিয়ার সেলিকপুর গ্রামে জন্ম।জন্ম-১৮৯৬,মৃত্যু- ১৯৬৭। তিনি আইন সম্পর্কিত বহু গ্রন্থের রচনা করেন। এছাড়া তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আন্তর্জাতিক সামরিক আদালতের বিচারক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
.
১০.ড.কাজী মোতাহার হোসেন: কুমারখালি উপজেলার লক্ষিপুর গ্রামে তাঁর জন্ম। জন্ম- ১৮৩৭,মৃত্যু- ১৯৮১। একাধারে সাহিত্যিক ,শিক্ষাবিদ ,সঙ্গীতজ্ঞ ও দাবাড়ু ছিলেন ।১৯৬৬ সালে বাংলা একাডেমী ও ১৯৭৯ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।
.
১১.মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা: পৈতৃকনিবাস কুমারখালি উপজেলার নিয়ামতবাড়ীয়াগ্রামে।জন্ম- ১৯০৬, মৃত্যু- ১৯৭৭।বাঙ্গালী মুসলিম মহিলাদের মধ্যে প্রথম সনেট ও গদ্য ছন্দে কবিতা লিখেছেন ।বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার ১৯৬৭ এবং একুশে পদক ১৯৭৭।
.
১২. আজিজুর রহমান:কুষ্টিয়াথানার হাটশহরিপুর গ্রামেজন্ম- ১৯১৪, মৃত্যু-১৯৭৮।একা ধারে কবি, গীতিকার ও কুষ্টিয়ার ইতিহাস সন্ধানী। তার রচিত গানের সংখ্যা প্রায় ২০০০ ।১৯৭৯ সালে একুশে পদক পান।
.
১৩.আকবর হোসেন: কুমারখালি উপজেলার কয়া গ্রামে জন্ম- ১৯১৭, মৃত্যু- ১৯৮১। তিনি ছিলেন জনপ্রিয় উপন্যাসিক। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে অবাঞ্জিত,কি পাইনি,নতুন পৃথিবী প্রভৃতি।
.
১৪. রোকনুজ্জামান দাদাভাই: কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা থানায় জন্ম- ১৯২৫, মৃত্যু- ১৯৯৯। খ্যাতনামা শিশু সংগঠক।শিশু সাহিত্যে ১৯৬৮ সালে বাংলা একাডেমী পুরস্কার পান
.
২.প্যারী সুন্দরী: মিরপুর উপজেলার সদরপুরের অধিবাসী। জন্ম-১৮০০, মৃত্যু-১৮৭০। নীলকর টমাস আইভান কেনির কৃষকদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে কৃষক আন্দোলন করেন।
.
৩. কাঙাল হরিনাথ মজুমদার: জন্ম কুমারখালি পৌর এলাকার কুণ্ডুপাড়ায় ১৮৩৩ ও মৃত্যু-১৮৯৬ । একাধারে সাময়িক পত্রসেবী , সমাজ বিপবী ও বাউল কবি ছিলেন। তাঁর রচিত বিজয়বসন্ত বাংলা ভাষা সাহিত্যের উল্লখযোগ্য গ্রন্থ।
.
৪. মোহিনী মোহন চক্রবর্তী: কুমারখালি এলঙ্গী গ্রামেজন্ম-১৮৩৮ও মৃত্যু-১৯২১। তিনি একাধারে চাকুরীজীবি ও ব্যবসায়ী ছিলেন । তিনি চক্রবর্তী এন্ড সন্স নামে পূর্ববাংলার সর্ববৃহৎ কাপড়ের কল নির্মান করেন।
.
৫.গগন হরকরা: অনুমান করা হয় কুমারখালির শিলাইদহের গোবরখালী কসবা গ্রামে তার জন্ম। আনুমানিক জন্ম-১৮৪৫ মৃত্যু -১৯১০। ডাকহরকরা ও পিওন হওয়া সত্বেও গানে পারদর্শী ছিলেন। তার লিখিত ‘আমি কোথায় পাব তারে ,আমার মনের মানুষ যেরে’ গানটির আঙ্গীক ও সুরের অনুসরনে রবীন্দ্রনাথ জাতীয় সঙ্গীত রচনা করেন।
.
৬.মীর মশাররফ হোসেন: কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার চাঁপড়া ইউনিয়নের লাহিনীপাড়া গ্রামে তাঁর জন্ম । জন্ম-১৮৪৭,মৃত্যু- ১৯১১। বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান অনসীকার্য। তাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় গ্রন্থ ‘‘বিষাদ সিন্ধু’’।
.
৭.অক্ষয় কুমার মৈত্রেয়: মিরপুর থানার শিমুলিয়া গ্রামেজন্ম-১৮৬১, মৃত্যু-১৯৩০। ইতিহাসবিদ,আইনজীবি ও সাহিত্যিক। তাঁর আলোচিত দু’টি গ্রন্থ হচ্ছে সিরাজদ্দৌলা ও মীর কাশিম। বিজ্ঞান সম্মত প্রণালীতে বাংলা ভাষায় ইতিহাস রচনায় পথিকৃত।
.
৮.যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় ওরফে বাঘা যতীন: কুমারখালি উপজেলার কয়া গ্রামেজন্ম-১৮৭৯, মৃত্যু-১৯১৫। দেশকে ইংরেজের কবল থেকে মুক্ত করতে এই স্বদেশী নেতা সশস্ত্র সংগ্রামের পরিকল্পনা করেন।
.
৯.ড. রাধা বিনোদ পাল: কুষ্টিয়ার সেলিকপুর গ্রামে জন্ম।জন্ম-১৮৯৬,মৃত্যু- ১৯৬৭। তিনি আইন সম্পর্কিত বহু গ্রন্থের রচনা করেন। এছাড়া তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আন্তর্জাতিক সামরিক আদালতের বিচারক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
.
১০.ড.কাজী মোতাহার হোসেন: কুমারখালি উপজেলার লক্ষিপুর গ্রামে তাঁর জন্ম। জন্ম- ১৮৩৭,মৃত্যু- ১৯৮১। একাধারে সাহিত্যিক ,শিক্ষাবিদ ,সঙ্গীতজ্ঞ ও দাবাড়ু ছিলেন ।১৯৬৬ সালে বাংলা একাডেমী ও ১৯৭৯ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।
.
১১.মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা: পৈতৃকনিবাস কুমারখালি উপজেলার নিয়ামতবাড়ীয়াগ্রামে।জন্ম- ১৯০৬, মৃত্যু- ১৯৭৭।বাঙ্গালী মুসলিম মহিলাদের মধ্যে প্রথম সনেট ও গদ্য ছন্দে কবিতা লিখেছেন ।বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার ১৯৬৭ এবং একুশে পদক ১৯৭৭।
.
১২. আজিজুর রহমান:কুষ্টিয়াথানার হাটশহরিপুর গ্রামেজন্ম- ১৯১৪, মৃত্যু-১৯৭৮।একা ধারে কবি, গীতিকার ও কুষ্টিয়ার ইতিহাস সন্ধানী। তার রচিত গানের সংখ্যা প্রায় ২০০০ ।১৯৭৯ সালে একুশে পদক পান।
.
১৩.আকবর হোসেন: কুমারখালি উপজেলার কয়া গ্রামে জন্ম- ১৯১৭, মৃত্যু- ১৯৮১। তিনি ছিলেন জনপ্রিয় উপন্যাসিক। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে অবাঞ্জিত,কি পাইনি,নতুন পৃথিবী প্রভৃতি।
.
১৪. রোকনুজ্জামান দাদাভাই: কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা থানায় জন্ম- ১৯২৫, মৃত্যু- ১৯৯৯। খ্যাতনামা শিশু সংগঠক।শিশু সাহিত্যে ১৯৬৮ সালে বাংলা একাডেমী পুরস্কার পান
0 comments:
Post a Comment