ইন্টারনেটে আয়ের কথা যখন বলা হয় তখন সবচেয়ে বেশি প্রচার পায় এডসেন্স কিংবা পিটিসি। দুটি সম্পর্কেই বলা হয় আপনাকে কিছু করতে হবে না। প্রথমটিতে ভিজিটর আপনার সাইটে এসে ক্লিক করলে আপনি টাকা পাবেন, পরেরটি আপনি যত ক্লিক করবেন তত টাকা পাবেন। এধরনের প্রচারনোর মধ্যে এফিলিয়েট প্রোগ্রাম বিষয়টি অনেকের দৃষ্টির আড়ালে থেকে যায়। অথচ এটাই স্বিকৃত, এরচেয়ে বেশি আয় অন্যভাবে করা যায় না।
সহজ কথায়, এফিলিয়েট প্রোগ্রাম হচ্ছে আপনার ব্লগে বা ওয়েবসাইটে নির্দিস্ট কারো বিজ্ঞাপন রাখা। প্রচারনা অথবা বিক্রির জন্য। কখনো কখনো সেখানে ভিজিটর ক্লিক করলেই আপনি অর্থ পান। তবে মুল আয়ের জন্য ভিজিটরকে কিছু কাজ করতে হয়। যেমন তাদের সাইটে গিয়ে ফরম পুরন করা কিংবা পন্য বা সেবা কেন। তখন আপনি সেই অর্থের ভাগ পান।
কাজটি একেবারে সহজ মনে করার কারন নেই। প্রথমত আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট থাকতে হবে। সেখানে ভিজিটর আনার ব্যবস্থা করতে হবে, অর্থাত আপনার সাইটের প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে। এরপর আপনার সাইটের সাথে মিল রেখে কারো কোন প্রতিস্ঠানের এফিলিয়েশন নিতে হবে।
যারা এফিলিয়েটেড মার্কেটিং এর সুযোগ দেন তাদের প্রত্যেকের বিজ্ঞাপনের ব্যবস্থা থাকে। ব্যানার বিজ্ঞাপন, টেক্সট লিংক ইত্যাদি আপনার পছন্দমত ব্যবহার করতে পারেন। তাদের দেয়া কোড কপি করে আপনার সাইটে পেষ্ট করাই যথেষ্ট। এই সাইটে যেমন রয়েছে ফ্রিল্যান্সারের বিজ্ঞাপন।
আপনার যা লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন তা হচ্ছে আপনার সাইটের সাথে মিল রেখে এফিলিয়েশন নেয়া। শিক্ষা বিষয়ক সাইট হলে অনলাইন ইউনিভার্সিটির এফিলিয়েশন নিতে পারেন, একইভাবে অনলাইনে বিক্রির সুযোগ থাকলে নিতে পারেন আমাজন কিংবা ই-বে।
প্রায় সমস্ত এফিলিয়েট প্রোগ্রাম বিনামুল্যের। তাদের সাইটে গিয়ে নাম লেখানোই যথেষ্ট। অবশ্য এটাই ঠিক, একারনে এত বেশি সংখ্যক মানুষ এফিলিয়েশন নেয় যে বেশিরভাগ মানুষই সফল হয় না। শতকরা ৯৯ জনই এই দলে। শুনে হতাস হচ্ছেন কি! আপনি যদি নিজের সাইটে এলিলিয়েশন লিংক রেখে অর্থ পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করেন তাহলে হতাস হওয়া স্বাভাবিক। বাকি যে ১ ভাগ সফল হন, অনেকে ধনী হন, তারা ক্রমাগত নিজের সাইটের উন্নতি করেন, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করতে থাকেন, ভিজিটর বাড়ানোর জন্য নানারকম পদ্ধতি অবলম্বন করেন। যা করতে হয় না তা হচ্ছে যেখান থেকে আয় সেই এলিয়েশন নিয়ে মাথা ঘামাতে হয় না। ১০ হাজার ডলার থেকে লক্ষ ডলার আয়ের উদাহরন রয়েছে অনেক। যদি এই পদ্ধতিতে আয় করতে চান কিংবা যদি আগেই শুরু করে সফলতা না পান তাহলে আপনার দেখার বিষয় সেটিই। আপনি যথেষ্ট সংখ্যক ভিজিটর পাচ্ছেন কি-না। না পাওয়ার কারন বিশ্লেষন করুন। সেদিকে গুরুত্ব দিয়ে সাইট উন্নত করা এবং প্রচার করা দুটি কাজই করুন।
কাজটি একেবারে সহজ মনে করার কারন নেই। প্রথমত আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট থাকতে হবে। সেখানে ভিজিটর আনার ব্যবস্থা করতে হবে, অর্থাত আপনার সাইটের প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে। এরপর আপনার সাইটের সাথে মিল রেখে কারো কোন প্রতিস্ঠানের এফিলিয়েশন নিতে হবে।
যারা এফিলিয়েটেড মার্কেটিং এর সুযোগ দেন তাদের প্রত্যেকের বিজ্ঞাপনের ব্যবস্থা থাকে। ব্যানার বিজ্ঞাপন, টেক্সট লিংক ইত্যাদি আপনার পছন্দমত ব্যবহার করতে পারেন। তাদের দেয়া কোড কপি করে আপনার সাইটে পেষ্ট করাই যথেষ্ট। এই সাইটে যেমন রয়েছে ফ্রিল্যান্সারের বিজ্ঞাপন।
আপনার যা লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন তা হচ্ছে আপনার সাইটের সাথে মিল রেখে এফিলিয়েশন নেয়া। শিক্ষা বিষয়ক সাইট হলে অনলাইন ইউনিভার্সিটির এফিলিয়েশন নিতে পারেন, একইভাবে অনলাইনে বিক্রির সুযোগ থাকলে নিতে পারেন আমাজন কিংবা ই-বে।
প্রায় সমস্ত এফিলিয়েট প্রোগ্রাম বিনামুল্যের। তাদের সাইটে গিয়ে নাম লেখানোই যথেষ্ট। অবশ্য এটাই ঠিক, একারনে এত বেশি সংখ্যক মানুষ এফিলিয়েশন নেয় যে বেশিরভাগ মানুষই সফল হয় না। শতকরা ৯৯ জনই এই দলে। শুনে হতাস হচ্ছেন কি! আপনি যদি নিজের সাইটে এলিলিয়েশন লিংক রেখে অর্থ পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করেন তাহলে হতাস হওয়া স্বাভাবিক। বাকি যে ১ ভাগ সফল হন, অনেকে ধনী হন, তারা ক্রমাগত নিজের সাইটের উন্নতি করেন, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করতে থাকেন, ভিজিটর বাড়ানোর জন্য নানারকম পদ্ধতি অবলম্বন করেন। যা করতে হয় না তা হচ্ছে যেখান থেকে আয় সেই এলিয়েশন নিয়ে মাথা ঘামাতে হয় না। ১০ হাজার ডলার থেকে লক্ষ ডলার আয়ের উদাহরন রয়েছে অনেক। যদি এই পদ্ধতিতে আয় করতে চান কিংবা যদি আগেই শুরু করে সফলতা না পান তাহলে আপনার দেখার বিষয় সেটিই। আপনি যথেষ্ট সংখ্যক ভিজিটর পাচ্ছেন কি-না। না পাওয়ার কারন বিশ্লেষন করুন। সেদিকে গুরুত্ব দিয়ে সাইট উন্নত করা এবং প্রচার করা দুটি কাজই করুন।
0 comments:
Post a Comment