ইন্টারনেটে কতভাবে আয় করা যায়, কোনভাবে আয়ের পরিমান কত হতে পারে, পদ্ধতি কি ইত্যাদি বিষয় নিয়ে অনেকগুলি লেখা রয়েছে বাংলা টিউটর সাইটে। সেইসাথে কি কি কারনে কোথায় আয় করা যায় না এসব তথ্যও রয়েছে। যারা ইন্টারনেটে আয়ের বিভিন্ন পথ খোজ করেন তাদের সুবিধার্থে কখন আয় করা যায় না এধরনের কিছু তথ্য এখানে তুলে ধরা হচ্ছে। কোন পদ্ধতি ব্যবহারের আগে এই বিষয়গুলি নিশ্চিত হয়ে নেয়া ভাল।
. বাংলাদেশ থেকে পেপল ব্যবহার করা যায় না। কাজেই যারা শুধুমাত্র পেপল এর মাধ্যমে টাকা দেয় তাদের কাছে আয়ের আশা করবেন না। অনেকে পেপলের সাইটে বাংলাদেশের নাম না দেখে অন্য দেশের নামে একাউন্ট করেন। এভাবে আপনার নামে টাকা জমা হবে কিন্তু টাকা হাতে পাবেন না।
. গুগল বাংলা ওয়েবসাইটের জন্য এডসেন্স ব্যবহারের সুযোগ দেয় না। কাজেই এডসেন্স ব্যবহার যদি লক্ষ হয় তাহলে বাংলা ওয়েবসাইটে সময় ব্যয় করবেন না।
. এডসেন্স এর বিকল্প কিছু বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক রয়েছে (যেমনadhitz)। বাংলাদেশ থেকে তাদের সদস্য হওয়া যায় না। . এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়clickbank. বাংলাদেশ থেকে তাদের সদস্য হওয়া যায় না। . অত্যন্ত জনপ্রিয় কিছু এফিলেয়েট মার্কেটিং নেটওয়ার্কে নিজস্ব ডোমেন সহ ওয়েবসাইট থাকতে হয়। ব্লগার (ব্লগষ্পট) এর মত বিনামুল্যের ব্লগ থেকে সেগুলি ব্যবহারের সুযোগ পাবেন না।
. বাংলাদেশে অনলাইন কেনাকাটার প্রচলন নেই। কাজেই বাস্তবে বাংলা ওয়েবসাইটে কিছু রেখে বিক্রির চেষ্টা করলে আয়ের সম্ভাবনা খুবই কম।
. কোন কোন ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্যও বাংলাদেশ থেকে বিড করা যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়। . ধীরগতির ইন্টারনেট আপনার জন্য বড় ধরনের বাধা হয়ে দাড়াতে পারে।
হয়ত লক্ষ করেছেন সবগুলি কারনের সাথে বাংলাদেশের সরকারী সিদ্ধান্ত জড়িত। যে কোন কারনেই হোক পেপল ব্যবহার, অনলাইনে লেনদেন চালুর সুযোগ না রাখা ইত্যাদি কারনে আপনার ইন্টারনেটে আয় বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। আরো ভয়ংকর দিক হচ্ছে বাংলাদেশের জন্য নিষিদ্ধ সাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
কাজেই অনলাইনে আয়ের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করাই যথেষ্ট না, যতক্ষন না দেশ আপনার জন্য পথ খোলা রাখে। সেদিকেও আপনার দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ থেকে ব্যবহার করা যায় কিনা, বাংলা ভাষার সাইটের জন্য উপযোগি কিনা, বিনামুল্যের সাইটের জন্য উপযোগি কিনা, টাকা দেয়ার পদ্ধতি কি ইত্যাদি বিষয়ে খোজ নিয়ে তবেই আয়ের জন্য চেষ্টা করুন।
. বাংলাদেশ থেকে পেপল ব্যবহার করা যায় না। কাজেই যারা শুধুমাত্র পেপল এর মাধ্যমে টাকা দেয় তাদের কাছে আয়ের আশা করবেন না। অনেকে পেপলের সাইটে বাংলাদেশের নাম না দেখে অন্য দেশের নামে একাউন্ট করেন। এভাবে আপনার নামে টাকা জমা হবে কিন্তু টাকা হাতে পাবেন না।
. গুগল বাংলা ওয়েবসাইটের জন্য এডসেন্স ব্যবহারের সুযোগ দেয় না। কাজেই এডসেন্স ব্যবহার যদি লক্ষ হয় তাহলে বাংলা ওয়েবসাইটে সময় ব্যয় করবেন না।
. এডসেন্স এর বিকল্প কিছু বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক রয়েছে (যেমনadhitz)। বাংলাদেশ থেকে তাদের সদস্য হওয়া যায় না। . এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়clickbank. বাংলাদেশ থেকে তাদের সদস্য হওয়া যায় না। . অত্যন্ত জনপ্রিয় কিছু এফিলেয়েট মার্কেটিং নেটওয়ার্কে নিজস্ব ডোমেন সহ ওয়েবসাইট থাকতে হয়। ব্লগার (ব্লগষ্পট) এর মত বিনামুল্যের ব্লগ থেকে সেগুলি ব্যবহারের সুযোগ পাবেন না।
. বাংলাদেশে অনলাইন কেনাকাটার প্রচলন নেই। কাজেই বাস্তবে বাংলা ওয়েবসাইটে কিছু রেখে বিক্রির চেষ্টা করলে আয়ের সম্ভাবনা খুবই কম।
. কোন কোন ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্যও বাংলাদেশ থেকে বিড করা যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়। . ধীরগতির ইন্টারনেট আপনার জন্য বড় ধরনের বাধা হয়ে দাড়াতে পারে।
হয়ত লক্ষ করেছেন সবগুলি কারনের সাথে বাংলাদেশের সরকারী সিদ্ধান্ত জড়িত। যে কোন কারনেই হোক পেপল ব্যবহার, অনলাইনে লেনদেন চালুর সুযোগ না রাখা ইত্যাদি কারনে আপনার ইন্টারনেটে আয় বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। আরো ভয়ংকর দিক হচ্ছে বাংলাদেশের জন্য নিষিদ্ধ সাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
কাজেই অনলাইনে আয়ের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করাই যথেষ্ট না, যতক্ষন না দেশ আপনার জন্য পথ খোলা রাখে। সেদিকেও আপনার দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ থেকে ব্যবহার করা যায় কিনা, বাংলা ভাষার সাইটের জন্য উপযোগি কিনা, বিনামুল্যের সাইটের জন্য উপযোগি কিনা, টাকা দেয়ার পদ্ধতি কি ইত্যাদি বিষয়ে খোজ নিয়ে তবেই আয়ের জন্য চেষ্টা করুন।
0 comments:
Post a Comment