যারা ব্লগ বা ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন রেখে প্রতি ক্লিকে আয় করতে চান তাদের প্রথম পছন্দ গুগলের বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক এডসেন্স (এড চয়েজ)। আপনার সাইটের বিষয়ের সাথে মিল রেখে বিজ্ঞাপন দেখা যাবে। সেখানে ভিজিটর ক্লিক করলে আপনার একাউন্টে টাকা জমা হবে।
এডসেন্স এর জন্য গুগলের শর্তগুলির একটি হচ্ছে আপনার নিজস্ব ডোমেন ব্যবহার করতে হবে। যদিও গুগলের বিনামুল্যের ব্লগিং ব্যবস্থা ব্লগারে বডেসেন্স ব্যবহার করা যায় তাহলেও আপনি একে ব্যবসা হিসেবে নেয়ার সময় নিজস্ব ডোমেন এবং হোষ্টিং ব্যবহার করবেন সেটাই যুক্তিসংগত। ডোমেন বাছাইয়ের সময় কিছু নিয়ম মেনে ভাল ফল পেতে পারেন। এখানে নিয়মগুলি উল্লেখ করা হচ্ছে। সাধারনভাবে আপনার মুল কিওয়ার্ডের সাথে মিল রেখে ডোমেন ঠিক করবেন এটাই স্বাভাবিক। অনেকে একাধিকবার একই শব্দ ব্যবহার করে ডোমেন বেছে নেন। বাস্তবে এধরনের ডোমেনের ক্ষেত্রে গুগল শান্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়। শাস্তিমুলক ব্যবস্থা বলতে র্যাংকিং এ পেছনের দিকে রাখা, কম মুল্যের বিজ্ঞাপন দেখানো ইত্যাদি করা হতে পারে।
অনেক সময় একাধিক শব্দ ব্যবহারের সম্য ড্যাস (-) ব্যবহার করে পৃথক করা হয়। বর্তমানের সার্চ ইঞ্চিনগুলি ড্যাস ব্যবহার ছাড়াই শব্দকে পৃথক করতে পারে। ফলে ড্যাস ব্যাবহার করে পৃথক না করেই সরাসরি শব্দগুলিকে পরপর ব্যবহার করুন। এমন নাম বেছে নিন যা সহজে মনে রাখা যায়। এজন্য ছোট, অর্থবোধক শব্দ বেশি উপযোগি। নাম দেখেই যেন ব্যবহারকারী সাইট সম্পর্কে কিছু ধারনা পেতে পারেন সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। সবশেষে এক্সটেনশন। এডসেন্স ব্যবহারের জন্য .com সবচেয়ে ভাল এক্সটেনশন। অন্য এক্সটেনশন ব্যবহারের দিকে না যাওয়াই ভাল।
ডোমেন রেজিষ্ট্রেশনের সময় যতটা সম্ভব বেশি সময়ের জন্য রেজিষ্ট্রেশন করে নিন। কোন সাইটের প্রচারের জন্যই ১ বছর কিংবা আরো বেশি সময় প্রয়োজন হতে পারে। একাধিক ডোমেন রেজিষ্ট্রেশনের সময় একই যায়গা থেকে সেগুলি নেয়ার চেষ্টা করুন। ডোমেন কিংবা হোষ্টিং এর কাজ কোথায় করবেন ? গুগল সার্চ করলে বিশ্বের সেরা হোষ্টিং কোম্পানীগুলির সম্পর্কে জানতে পারেন। তাদের ওয়েবসাইটে বিস্তারিত তথ্য রাখা ছাড়াও ইমেইল সহ সবধরনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যায়। সাধারনত তারা সবধরনের কারিগরী সহায়তা দেয়।
অন্যদেশে টাকা পাঠানোকে যদি সমস্যা মনে করেন তাহলে তাদের স্থানীয় প্রতিনিধির মাধ্যমে সেকাজ করতে পারেন। তাদেরকেও পাওয়া যাবে গুগল সার্চ করে।
এডসেন্স এর জন্য গুগলের শর্তগুলির একটি হচ্ছে আপনার নিজস্ব ডোমেন ব্যবহার করতে হবে। যদিও গুগলের বিনামুল্যের ব্লগিং ব্যবস্থা ব্লগারে বডেসেন্স ব্যবহার করা যায় তাহলেও আপনি একে ব্যবসা হিসেবে নেয়ার সময় নিজস্ব ডোমেন এবং হোষ্টিং ব্যবহার করবেন সেটাই যুক্তিসংগত। ডোমেন বাছাইয়ের সময় কিছু নিয়ম মেনে ভাল ফল পেতে পারেন। এখানে নিয়মগুলি উল্লেখ করা হচ্ছে। সাধারনভাবে আপনার মুল কিওয়ার্ডের সাথে মিল রেখে ডোমেন ঠিক করবেন এটাই স্বাভাবিক। অনেকে একাধিকবার একই শব্দ ব্যবহার করে ডোমেন বেছে নেন। বাস্তবে এধরনের ডোমেনের ক্ষেত্রে গুগল শান্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়। শাস্তিমুলক ব্যবস্থা বলতে র্যাংকিং এ পেছনের দিকে রাখা, কম মুল্যের বিজ্ঞাপন দেখানো ইত্যাদি করা হতে পারে।
অনেক সময় একাধিক শব্দ ব্যবহারের সম্য ড্যাস (-) ব্যবহার করে পৃথক করা হয়। বর্তমানের সার্চ ইঞ্চিনগুলি ড্যাস ব্যবহার ছাড়াই শব্দকে পৃথক করতে পারে। ফলে ড্যাস ব্যাবহার করে পৃথক না করেই সরাসরি শব্দগুলিকে পরপর ব্যবহার করুন। এমন নাম বেছে নিন যা সহজে মনে রাখা যায়। এজন্য ছোট, অর্থবোধক শব্দ বেশি উপযোগি। নাম দেখেই যেন ব্যবহারকারী সাইট সম্পর্কে কিছু ধারনা পেতে পারেন সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। সবশেষে এক্সটেনশন। এডসেন্স ব্যবহারের জন্য .com সবচেয়ে ভাল এক্সটেনশন। অন্য এক্সটেনশন ব্যবহারের দিকে না যাওয়াই ভাল।
ডোমেন রেজিষ্ট্রেশনের সময় যতটা সম্ভব বেশি সময়ের জন্য রেজিষ্ট্রেশন করে নিন। কোন সাইটের প্রচারের জন্যই ১ বছর কিংবা আরো বেশি সময় প্রয়োজন হতে পারে। একাধিক ডোমেন রেজিষ্ট্রেশনের সময় একই যায়গা থেকে সেগুলি নেয়ার চেষ্টা করুন। ডোমেন কিংবা হোষ্টিং এর কাজ কোথায় করবেন ? গুগল সার্চ করলে বিশ্বের সেরা হোষ্টিং কোম্পানীগুলির সম্পর্কে জানতে পারেন। তাদের ওয়েবসাইটে বিস্তারিত তথ্য রাখা ছাড়াও ইমেইল সহ সবধরনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যায়। সাধারনত তারা সবধরনের কারিগরী সহায়তা দেয়।
অন্যদেশে টাকা পাঠানোকে যদি সমস্যা মনে করেন তাহলে তাদের স্থানীয় প্রতিনিধির মাধ্যমে সেকাজ করতে পারেন। তাদেরকেও পাওয়া যাবে গুগল সার্চ করে।
0 comments:
Post a Comment