ব্যবসার একটি সাধারন নিয়ম হচ্ছে প্রতিদ্বন্দি ব্যবসাকে ভালচোখে না দেখা। অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম নেই। আপনি যে বিষয়ে ব্লগ বা ওয়েবসাইট পরিচালনা করছেন সেই একই বিষয়ে অন্য ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে খারাপ দৃষ্টিতে দেখতে পারেন। হয়ত ধরে নিচ্ছেন তারা আপনার ভিজিটরকে নিজের দিকে টেনে নিচ্ছেন। হয়ত ভুলেও কখনো তাদের সাইটে ভিজিট করেন না।
বিষয়টি উল্টোও তো হতে পারে। আপনি অনায়াসে তাদের ভিজিটরকে নিজের ভিজিটর হিসেবে পেতে পারেন। এবং সেটা তার পতনের মাধ্যমে না বরং সে যত উন্নতি করবেন আপনার উন্নতির সম্ভাবনাও তত বেশি।
সার্চ ইঞ্চিন অপটিমাইজেশন এক্সপার্ট হিসেবে যারা কাজ করেন তাদের পরামর্শ এর বিপরীত। তারা বলছেন, আপনি বেশি করে প্রতিদ্বন্দি সাইট ভিজিটর করুন। বিশেষ করে কোন সাইট যদি আপনার থেকে জনপ্রিয় হয় সেই সাইট তো বটেই। এতে যে সুবিধেগুলি পেতে পারেন তা হচ্ছে,
. নতুন আইডিয়া
যেহেতু সেই সাইটও একই ধরনের ভিজিটর নিয়ে কাজ করছে কাজেই তাদের কাছে শিখতে পারেন তারা কি পদ্ধতি ব্যবহার করছে। সেখানে কোন পোষ্ট সবচেয়ে জনপ্রিয়, কোন পোষ্টে কোন ধরনের মন্তব্য করা হচ্ছে। এই তথ্যগুলি নিজের সাইটে ব্যবহার করতে পারেন।
. সাইটের ধরন ঠিক করা
আপনি হয়ত মোটামুটিভাবে কোন বিষয় নিয়ে সাইট পরিচালনা করছেন। তাকে আরো নির্দিষ্ট করতে পারেন অন্যের সাইট দেখে। সেটা কি ত্যথ পরিবেশনের জন্য, নাকি শিক্ষার জন্য, নাকি প্রচারনার জন্য। যত নির্দিষ্টভাবে সাইট পরিবেশন করবেন সাফল্যের সম্ভাবনা তত বেশি।
. বিষয়বস্তুর নতুনত্ব
নতুন কি বিষয় নিয়ে লিখবেন ভেবে পাচ্ছেন না। অন্যের সাইট দেখে ধারনা নিন। প্রত্যেকেই এমন কিছু সৃষ্টিশীল বৈশিষ্টের অধিকারী যা থেকে অনায়াসে শিখতে পারেন।
এই কাজগুলি করার সময় যা করবেন না তা হচ্ছে,
. অন্যের সাইট থেকে কপি-পেষ্ট করে তথ্য ব্যবহার করবেন না। এটা চুরি তো বটেই, তারপরও সার্চ ইঞ্জিনগুলি অত্যন্ত বুদ্ধিমান। তারা অনায়াসে ধরে ফেলে কোন সাইট থেকে কপি করে কোথায় ব্যবহার করা হয়েছে। এতে নিজের বিপদ ডেকে আনবেন।
. অন্যের সাইটের সবকিছু হুবহু নকল করতে চেষ্টা করবেন না। সেক্ষেত্রে আপনি সবসময়ই তারথেকে পিছিয়ে থাকবেন। বরং সেখান থেকে শিখে নিজের মত করে কাজ করুন।
. অন্যের সাইট থেকে শেখা অর্থ এই না যে আপনি সেখানেই বেশি গুরুত্ব দেবেন। বরং নিজের সাইটের ওপরই বেশি গুরুত্ব দিন এবং অন্যেরা কি করছে সেদিকে চোখ রাখুন।
অন্যের সাইট থেকে নিয়মিত তথ্য পাওয়ার জন্য এবং যোগাযোগ রাখার জন্য প্রচলিত পদ্ধতিগুলি হচ্ছে তাদের সদস্য হওয়া, আরএসএস ব্যবহার করা, নিউজলেটার থাকলে তার গ্রাহক হওয়া, টুইটার-ফেসবুক পেজ থাকলে তার ফলোয়ার হওয়া, ইউটিউব একাউন্ট থাকলে সেদিকে দৃষ্টি রাখা ইত্যাদি। এছাড়া তাদের তথ্য অন্য কোথাও আছে কি-না সেটাও সার্চ করে দেখতে পারেন। ওয়েবসাইট বা ব্লগের সাফল্যের একটি বড় দিক হচ্ছে নিজস্বতা বজায় রাখা। আপনি অন্যের কাজ দেখে শিখবেন কিন্তু কাজ করবেন নিজের মত, এটাই সাফল্যের সেরা পথ।
বিষয়টি উল্টোও তো হতে পারে। আপনি অনায়াসে তাদের ভিজিটরকে নিজের ভিজিটর হিসেবে পেতে পারেন। এবং সেটা তার পতনের মাধ্যমে না বরং সে যত উন্নতি করবেন আপনার উন্নতির সম্ভাবনাও তত বেশি।
সার্চ ইঞ্চিন অপটিমাইজেশন এক্সপার্ট হিসেবে যারা কাজ করেন তাদের পরামর্শ এর বিপরীত। তারা বলছেন, আপনি বেশি করে প্রতিদ্বন্দি সাইট ভিজিটর করুন। বিশেষ করে কোন সাইট যদি আপনার থেকে জনপ্রিয় হয় সেই সাইট তো বটেই। এতে যে সুবিধেগুলি পেতে পারেন তা হচ্ছে,
. নতুন আইডিয়া
যেহেতু সেই সাইটও একই ধরনের ভিজিটর নিয়ে কাজ করছে কাজেই তাদের কাছে শিখতে পারেন তারা কি পদ্ধতি ব্যবহার করছে। সেখানে কোন পোষ্ট সবচেয়ে জনপ্রিয়, কোন পোষ্টে কোন ধরনের মন্তব্য করা হচ্ছে। এই তথ্যগুলি নিজের সাইটে ব্যবহার করতে পারেন।
. সাইটের ধরন ঠিক করা
আপনি হয়ত মোটামুটিভাবে কোন বিষয় নিয়ে সাইট পরিচালনা করছেন। তাকে আরো নির্দিষ্ট করতে পারেন অন্যের সাইট দেখে। সেটা কি ত্যথ পরিবেশনের জন্য, নাকি শিক্ষার জন্য, নাকি প্রচারনার জন্য। যত নির্দিষ্টভাবে সাইট পরিবেশন করবেন সাফল্যের সম্ভাবনা তত বেশি।
. বিষয়বস্তুর নতুনত্ব
নতুন কি বিষয় নিয়ে লিখবেন ভেবে পাচ্ছেন না। অন্যের সাইট দেখে ধারনা নিন। প্রত্যেকেই এমন কিছু সৃষ্টিশীল বৈশিষ্টের অধিকারী যা থেকে অনায়াসে শিখতে পারেন।
এই কাজগুলি করার সময় যা করবেন না তা হচ্ছে,
. অন্যের সাইট থেকে কপি-পেষ্ট করে তথ্য ব্যবহার করবেন না। এটা চুরি তো বটেই, তারপরও সার্চ ইঞ্জিনগুলি অত্যন্ত বুদ্ধিমান। তারা অনায়াসে ধরে ফেলে কোন সাইট থেকে কপি করে কোথায় ব্যবহার করা হয়েছে। এতে নিজের বিপদ ডেকে আনবেন।
. অন্যের সাইটের সবকিছু হুবহু নকল করতে চেষ্টা করবেন না। সেক্ষেত্রে আপনি সবসময়ই তারথেকে পিছিয়ে থাকবেন। বরং সেখান থেকে শিখে নিজের মত করে কাজ করুন।
. অন্যের সাইট থেকে শেখা অর্থ এই না যে আপনি সেখানেই বেশি গুরুত্ব দেবেন। বরং নিজের সাইটের ওপরই বেশি গুরুত্ব দিন এবং অন্যেরা কি করছে সেদিকে চোখ রাখুন।
অন্যের সাইট থেকে নিয়মিত তথ্য পাওয়ার জন্য এবং যোগাযোগ রাখার জন্য প্রচলিত পদ্ধতিগুলি হচ্ছে তাদের সদস্য হওয়া, আরএসএস ব্যবহার করা, নিউজলেটার থাকলে তার গ্রাহক হওয়া, টুইটার-ফেসবুক পেজ থাকলে তার ফলোয়ার হওয়া, ইউটিউব একাউন্ট থাকলে সেদিকে দৃষ্টি রাখা ইত্যাদি। এছাড়া তাদের তথ্য অন্য কোথাও আছে কি-না সেটাও সার্চ করে দেখতে পারেন। ওয়েবসাইট বা ব্লগের সাফল্যের একটি বড় দিক হচ্ছে নিজস্বতা বজায় রাখা। আপনি অন্যের কাজ দেখে শিখবেন কিন্তু কাজ করবেন নিজের মত, এটাই সাফল্যের সেরা পথ।
0 comments:
Post a Comment