ব্লগ বা ওয়েবসাইটের সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করে গুগলের ইচ্ছের ওপর। তারা ইচ্ছে করলে কোন সাইটকে প্রাধান্য দিয়ে বেশি ভিজিটর যাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারে, তেমনি ইচ্ছে করলে তাকে পেছনে ফেলতে পারে। সহজ কথায়, সার্চ রেজাল্টে কোন পেজের অবস্থান কোথায় তার ওপর নির্ভর করে সাইটের সাফল্য।
গুগল কোন সাইটের পক্ষে-বিপক্ষে কাজটি করে বলেই বিষয়টি গুরুত্বপুর্ন। কাউকে প্রাধান্য দেয় কাউকে বাধা দেয়। ওয়েবমাষ্টার যখন সার্চে সুবিধে পাওয়ার জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ব্যবহার করেন তার ধরন অনুযায়ী কাজটি করা হয়।
গুগল যখন কারো বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয় তখন প্রশ্ন করা স্বাভাবিক, আসলেই তিনি অপরাধী কি-না।
এর উত্তর হ্যা এবং না দুটিই। হ্যা এই অর্থে যে গুগল জানিয়ে দিয়েছে কোন বিষয়গুলি তারা পছন্দ করে, কোনগুলি করে না। একে আইন ধরে নিলে তাদের নির্দেশ না মানা অপরাধ।
না এই অর্থে যে অনেকেই খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে কাজগুলি করেন না। অনেক সময় জানেনও না আসলে তার ক্ষতি হচ্ছে। বিশেষ করে অর্থের বিনিময়ে কোন ব্যক্তি বা কোম্পানীর সাহায্য নিলে। তাদের কাছে টার্গেট দেয়া হয় সাইটকে সার্চ রেজাল্টের প্রথম পেজে আনার।তারা সেটি করেও দেয়। কিন্তু যে পদ্ধতিতে করে গুগল সেটা লক্ষ করে এবং একসময় ব্যবস্থা নেয়।
গুগলের বক্তব্য খুব সহজ। সার্চ রেজাল্টের কোথায় সাইট পাওয়া যাবে সেটা নির্ভর করে সাইটের তথ্যের যোগ্যতার ওপর। বাইরে থেকে চেষ্টা করে তাকে ভাল দেখাবেন না।
কথাটা অবাক করার মত শোনালেও বাস্তবতা এটাই। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন নিয়ে যত কথাই বলা হোক, একসময় সেটা গুগলের কাছে অপরাধ বলে গন্য হয়।
প্রশ্ন উঠতে পারে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কি তাহলে প্রয়োজন নেই ?
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের ক্ষেত্রে কিছু বিষয়কে ত্রুটি বলে ধরা হয়। সাইটের গঠন, লিংক, সঠিক কিওয়ার্ড ব্যবহার ইত্যাদি। একজন দক্ষ ব্যক্তি বা কোম্পানী এগুলি ঠিক করে সাইটের উন্নতি করতে পারেন। গুগলের সাথে চালাকির চেষ্টা করে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সবসময়ই ক্ষতিকর।
সত্যিকারের সাফল্যের এবং সততার লক্ষন হচ্ছে সাইটটিকে উন্নত করা। সার্চ ইঞ্জিন নিজেই একসময় সেটা জানবে এবং সাইটটি তার প্রাপ্য মর্যদা পাবে।
- Blogger Comment
- Facebook Comment
Subscribe to:
Post Comments
(
Atom
)
0 comments:
Post a Comment